আমরা বিশ্বাস করি অনলাইন গেমিং শুধু জয়ের জন্য নয় – এটা একটা অভিজ্ঞতা, একটা সম্প্রদায়। taka et তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে, যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও বিনোদন একসাথে পাওয়া যায়।
প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দদায়ক করে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য।
বাংলাদেশের অন্য যেকোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে taka et যে কারণে আলাদাভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
taka et-এ প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ। আমরা কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে আপনার ডেটা শেয়ার করি না।
bKash, Nagad ও Rocket-এর মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ডিপোজিট ও উইথড্র করুন। taka et-এ জেতার পর আপনার টাকা পাওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় না।
স্পোর্টস বেটিং থেকে লটারি, জ্যাকপট থেকে স্লট – taka et-এ একটাই প্ল্যাটফর্মে পাবেন সব ধরনের গেমিং বিভাগ। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পছন্দ মাথায় রেখেই আমাদের গেম লাইব্রেরি তৈরি।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য ক্যাশব্যাক ও ভিআইপি সুবিধা। taka et-এ প্রতিটি বেটেই কিছু না কিছু ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকে।
taka et পুরোপুরি মোবাইল অপ্টিমাইজড। যেকোনো স্মার্টফোন থেকে, যেকোনো সময় – ঘরে বসেই হোক বা বাইরে – সমান মসৃণ গেমিং অভিজ্ঞতা পাবেন কোনো অ্যাপ ডাউনলোড ছাড়াই।
taka et শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় – এটি বাংলাদেশের লক্ষাধিক গেমারের একটি সম্প্রদায়। আমাদের ফোরাম, লিডারবোর্ড ও টুর্নামেন্টে যোগ দিয়ে নতুন বন্ধু তৈরি করুন।
taka et-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে – বাংলাদেশের মানুষ কেন বিদেশি প্ল্যাটফর্মে গিয়ে গেম খেলবেন, যেখানে ভাষা বোঝা যায় না, পেমেন্ট করা কঠিন আর সাপোর্ট পাওয়া যায় না? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই তৈরি হয় taka et।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দল বাংলাদেশের গেমিং কমিউনিটির নিজস্ব মানুষ। তারা জানেন এখানকার খেলোয়াড়রা কী চান – সহজ ইন্টারফেস, বাংলায় সাপোর্ট, পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি। সেই বোঝাপড়া থেকেই গড়ে উঠেছে taka et-এর প্রতিটি ফিচার।
গত তিন বছরে taka et বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আজ প্রতিদিন taka et-এ খেলছেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী – দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ taka et-কে বিশ্বাস করছেন।
আমাদের সাফল্যের পেছনে একটাই কারণ – আমরা সবসময় ব্যবহারকারীর কথা আগে ভেবেছি। যখনই কোনো সমস্যা এসেছে, আমরা তা লুকাইনি। যখনই কোনো আপডেট এসেছে, আমরা আমাদের সদস্যদের আগে জানিয়েছি। এই স্বচ্ছতাই taka et-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
taka et-এ স্পোর্টস বেটিং মানে শুধু ক্রিকেট নয়। ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি – বাংলাদেশিদের প্রিয় সব খেলাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে আছে। লটারি বিভাগে প্রতিদিন হাজারো মানুষ অংশ নেন ছোট বিনিয়োগে বড় পুরস্কারের স্বপ্ন নিয়ে। জ্যাকপট পুল কখনো কখনো কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের কাছে শুধু নীতিমালার কথা নয় – এটা আমাদের সংস্কৃতির অংশ। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি সদস্য গেমিংকে একটি আনন্দদায়ক বিনোদন হিসেবে রাখুন, কখনো বোঝা হিসেবে নয়। তাই আমরা বাজেট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো সুবিধা দিচ্ছি।
আগামীতে taka et আরও বড় হবে। নতুন গেম আসবে, নতুন ফিচার আসবে, নতুন বোনাস আসবে। কিন্তু একটা জিনিস বদলাবে না – আমাদের সদস্যদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি। taka et সবসময় বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পাশে থাকবে।
বাংলাদেশের প্রতিটি গেমারকে একটি নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। taka et বিশ্বাস করে যে সঠিক পরিবেশ পেলে গেমিং মানুষের জীবনে ইতিবাচক বিনোদন যোগ করতে পারে।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারী-বান্ধব অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শের সমন্বয়ে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়া যেখানে প্রতিটি সদস্য নিজেকে মূল্যবান মনে করবেন।
কীভাবে একটি ছোট উদ্যোগ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান গেমিং প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠল।
একটি ছোট টিম নিয়ে বাংলাদেশের গেমারদের জন্য দেশীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরির স্বপ্ন নিয়ে taka et-এর যাত্রা শুরু। প্রথম মাসেই ১০ হাজারেরও বেশি নিবন্ধন।
বাংলাদেশি পেমেন্ট গেটওয়ে সংযুক্ত করার পর taka et-এর ব্যবহারকারী সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে যায়। গ্রামাঞ্চলের খেলোয়াড়রাও সহজে যোগ দেওয়া শুরু করেন।
স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি লটারি ও জ্যাকপট বিভাগ যুক্ত হলে taka et সত্যিকারের পূর্ণাঙ্গ গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
নিয়মিত সদস্যদের পুরস্কৃত করতে ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু হয়। তথ্যভিত্তিক গেমিংয়ের জন্য বিশ্লেষণ বিভাগ যোগ হয়। সদস্য সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
আজ taka et বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। নতুন ফিচার, নতুন গেম ও আরও ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
taka et-এর নিরাপত্তা ও বিশ্বস্ততার ভিত্তি যে স্তম্ভগুলোর উপর দাঁড়িয়ে আছে।
taka et-এর পেছনে যারা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন আপনাদের জন্য।
১০ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন খাতের পথিকৃৎ।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। taka et-এর পুরো প্রযুক্তি অবকাঠামো তার নেতৃত্বে তৈরি।
ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতার বিশেষজ্ঞ। taka et-এর সহজ ইন্টারফেস তারই পরিকল্পনার ফসল।
৫০ জনের সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। taka et-এর ৯৮% সন্তুষ্টি রেটের মূল কারিগর।
পাঁচ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের সাথে যোগ দিন। নিরাপদ, আনন্দদায়ক ও ন্যায্য গেমিং অভিজ্ঞতা নিন taka et-এ।
taka et সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি যেসব প্রশ্ন আসে।